না পাওয়ার গল্প

প্রকাশিত: ১০:১৩ পূর্বাহ্ণ, ডিসেম্বর ১৭, ২০২০

না পাওয়ার গল্প
অনু গল্প:
মাইন উদ্দীন হাসান
বেকারত্বের হার দিন দিন বেড়েই চলছে।দেশের বাজারে চাকরি যেন সোনার হরিণ।তবুও বেকাররা চেষ্টা চালিয়ে যায় চাকরি পাওয়ার আশায়। চাকরির ওপর হয়তো ভর করছে তার বৃদ্ধ মা-বাবার ঔষধপত্র, আটকে থাকা বোনের বিয়ে।কিন্তু ঐ চাকরির বাজারে স্বজনপ্রীতির মহড়া যেন চেপে বসে আছে।মামা-চাচা ব্যতিত চাকরি হয় না।
গ্রামের ছেলেটি এক বুক আশা নিয়ে গিয়েছিলো শহরে, চাকরীর ইন্টারভিউ দিবে।ফিরতে হলো হতাশার চাপ মাথায় নিয়ে।এমডি স্যারের ভাতিজা নাকি ঐ চাকরীতে নিয়োগ পাবে!
প্রিয়তমা,চাকরিটা হলেই তোমাকে বিয়ে করে ঘরে তুলবো।সেই চাকরি আর হলো না!প্রিয়তমা ঠিকই অন্যর ঘরে সাংসারিক হয়ে উঠলো।ঐ যে বেকারত্বের কাছে ভালোবাসা কিছুই না।
সন্তান বাবা-মাকে কথা দিয়েছিলো, চাকরিটা পেয়ে যায়,পুরো বছেরর টাকা জমিয়ে তোমাদের হজ্বটা করিয়ে আনবো।সেই চাকরির আশায় পিতা-মাতাও  একদিন হারিয়ে  গেলো অন্ধকার জগতে।কিন্তু চাকরিটা এখনো সন্তানের কপালে জুটলো না।
এভাবে হাজারো যুবকের স্বপ্ন গুলো হারিয়ে যায় একটি চাকরির কাছে।তবুও চেষ্টা চালিয়ে যায় তারা। আশা একটাই- একদিন তাদের ঠিকই চাকরি হবে।
শিক্ষার্থী
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়,কুষ্টিয়া
error: Content is protected !!