কল্লোল রায়ের “মৃত্যুঞ্জয়”

প্রকাশিত: ১১:১৭ পূর্বাহ্ণ, নভেম্বর ১৭, ২০২০

কল্লোল রায়ের “মৃত্যুঞ্জয়”

কল্লোল রায়:

 

ভাবি মরিব আমি, থাকিব না আর হেথায়

পরক্ষণেই ভাবি, উত্তর কি দেব, হিসাব করিবে যেথায়?

 

হবে হালখাতা, খুলিবে নতুন খাতা জীবনের

পাতা হয়ে যাবে শেষ বিধি বলিবেন,

জীবন দিলাম কি দিলি তুই ধরায়, নিয়ে গেলি তো বেশ।

রাশি রাশি ধন, দৌলত সন্মান ব্যর্থ কর্মে লিপ্ত হইয়া করলি নিঃশেষ।

 

মোর মুখে তখনি আসিবে প্রথমে স্ত্রী, পুত্র, কন্যা রয়েছে

যতনে লক্ষ টাকা রেখেছি জমিয়ে তাদের লাগি,

মাতা পিতা মোর জীবদ্দশায় ছিল তার ভাগি।

 

বিধি বলিবেন, বাহ! এটুকুই ঋণ ছিল তোর?

নতুনত্ব কই,আনিয়াছিস কি কোনো নতুন ভোর?

 

শিশুকাল হতে জীবন যৌবনে, কত ঋণ কত শত বোঝা,

কার হতে কত কিছু পেলি, তা বোঝা নয়ত সোজা।

 

দেখ ভাল করে চেয়ে, সমাজের দিকে তাকিয়ে,

বেড়েছে শত্রু, লণ্ঠনকারী দাঁড়িয়ে আছে হাঁকিয়ে।

 

ওদের দাপটে বেড়েছে আজ প্রান নিয়ে টানা টানি

যা গড়ে তোল সুষ্ঠু সমাজ, কমা গিয়ে হানা হানি।

 

এখোনো বৃদ্ধা রেললাইনে করিতেছে দিনযাপন,

যা গিয়ে কর বৃদ্ধ মাতার ক্ষুধা নিবারন।

 

মা-বোন যবে বাহিরে বেরোবে

সন্মান আজি কেনো খোয়াবে?

যা তোরি হাতে রচিত হোক নারীদের সম্মান,

এসকল ঋণ শুধিলে তবে হবে তোর জয়গান।

 

আমি বলিলাম, শুধিব দেনা করবো সকল জয়,

মরনে বিরত্ব কই, হতে হবে মৃত্যুঞ্জয়।

 

শিক্ষার্থী,

আজমখান কমার্স কলেজ, খুলনা।

Like Us On Facebook

Facebook Pagelike Widget
error: Content is protected !!