স্রষ্টার হেফাজতে তিনি নিশ্চয়ই ভালো আছেন

প্রকাশিত: ৪:০০ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২০

স্রষ্টার হেফাজতে তিনি নিশ্চয়ই ভালো আছেন

প্রিয়দের মধ্যে অন্যতম, আমার শৈশব কৈশোরের হিরো। ধার্মিকতার জলন্ত উদাহরণ ছিলেন তিনি। রোজ পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়তেন। চরিত্রবান হওয়ার তাগিদ দিতেন, চরিত্রই মানব জীবনের গৌরব বলে বিশ্বাস করতেন। নামাজের আগে ও পরে কিংবা রাস্তায় হাটাচলার সময়ও যিনি স্রষ্ঠাকে ডাকতেন গানের সুরে। প্রতি মুহুর্তে মুগ্ধতা ও শেখার ছিল যার জীবনযাপন থেকে।

তিনি গত হয়েছেন আজ ৭ বছর হয়। প্রিয়জন হারানোর বেদনা আমাকে কষ্ট দিয়েছে অনেক। এই অধম প্রার্থনারত হলেই যাদেরকে দোয়ায় রাখি, তিনি তাদের মধ্যে অন্যতম।

জন্ম হয়েছে বলেই মরতে হয়। আপন হারানোর শোক যতই নির্মম হোক, এক সময় সব স্বাস্থ্য হয়ে যায়। তিনি ভাবনায় জীবিত আছেন, থাকবেনও। তবে মানব জীবনের চলমান ব্যস্ততায় চিরতরে হারিয়ে ফেলা আপনজনদের প্রতি মুহুর্তে তো নয়ই, প্রতিদিন কিংবা প্রতি সপ্তাহেও মনে করা, ভাবা সম্ভব হয়ে উঠে না সেভাবে।

তবুও তিনি আমার স্বপ্নে আসেন, ঠিক সেই সময়ের মতো তিনি ইসলামী সঙ্গীত গাইছেন,,স্রষ্ঠাকে ডাকছেন গানে গানে, আপন মনে। তিনি পরম দয়ালুর নিকট কৃতজ্ঞতা স্বীকার করছেন। আমি মুগ্ধ শ্রোতা হয়ে শুনছি। ঘুমের ঘোরেও আমার মনে হয়,আমাকে জানাচ্ছেন তিনি ভালো আছেন, তিনি স্বশরীরেই আমার সামনে আছেন। ঘুম ভাঙ্গার পরও আমার মনে হয় তিনি বাস্তবের মতোই আমার সামনে ছিলেন।

মানুষ দিনে যা ভাবে, রাতে ঘুমের ঘোরে তাই নাকি স্বপ্ন দেখে, কিন্তু আমার বেলায় তেমন ছিলো না। আমি তাকে যখনই স্বপ্ন দেখি, তার বেশ কয়েকদিন পূর্ব পর্যন্ত সেভাবে তাকে নিয়ে ভাবাই হয়নি। তবুও তিনি আসেন। আমাকে মানসিক ভাবে তৃপ্ত করেন। আমিও ভাবি, বিশ্বাস করতে চাই, স্রষ্টার হেফাজতে তিনি নিশ্চয়ই ভালো আছেন।